গুগল স্টেডিয়া – হাই কনফিগারেশনের গেম খেলুন মোবাইল/পিসিতে!

গুগল স্টেডিয়া! গেমিং এর ভবিষ্যৎ

গেম খেলতে কে না পছন্দ করে? কিন্তু গেমগুলো খেলার জন্য আমাদের হয় হাই কনফিগারেশনের পিসি থাকতে হবে আর নাহলে এক্সবক্স অথবা সনি প্লেস্টেশনের কনসোল থাকতে হবে। ঠিক একইভাবে মোবাইলেও যদি আমরা হাই গ্রাফিক্সের গেম খেলতে চাই তাহলে মোটামোটি ফ্লাগশিপ লেভেলের মোবাইল দরকার হয়।

কিন্তু আমি যদি বলি, আপনি এখন থেকে হাই বা লো যেকোন কনফিগারেশনের পিসি বা মোবাইল দিয়ে পৃথিবীর যেকোন গেম খেলতে পারবেন। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। পড়া শেষে আপনিও বলবেন এটা সম্ভব!

হাই কনফিগারেশনের গেম খেলুুন যেকোন মোবাইল/পিসিতে

গুগল সম্প্রতি তাদের জিডিসি (গুগল ডেভেলোপার কনগ্রেস) ২০১৯ – এ “গুগল স্টেডিয়া” অ্যানাউন্স করেছে আর বলেছে শুধুমাত্র ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই আপনি পৃথিবীর যেকোন গেম যেকোন স্ক্রিনে খেলতে পারবেন । কিন্তু গুগল স্টেডিয়া মূলত কি?

গুগল স্টেডিয়া কি?

এটি মূলত ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তির একটা অ্যাডভান্সড লেভেল। ধরুন, কিছুক্ষন আগে পিসিতে আপনি একটি গেম খেলছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই আপনাকে বাসা থেকে বের হতে হলো। কিন্তু বাসা থেকে বের হবার পরও আপনি সেই গেমটি যেখানে শেষ করেছিলেন ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই আপনার মোবাইলে বা পিসিতে কনটিনিউ করা শুরু করলেন। এখন হয়ত আপনি বলবেন এটা কি করে সম্ভব?

জি! এটা সম্ভব। আর এটা সম্ভব করেছে ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তি। আর আগেই বলে দিয়েছি, গুগল স্টেডিয়া হলো ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তির একটা অ্যাডভান্সড লেভেল। তাই অনেকেই গুগল স্টেডিয়াকে গেমিং এর ভবিষ্যৎ বলছে। কিন্তু আসলেই কি গুগল স্টেডিয়া গেমিং এর ভবিষ্যৎ, এটা আমাদের কি কি সুবিধা দেবে, এটা গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে কি কি পরিবর্তন নিয়ে আসবে ইত্যাদি সবকিছু আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

গুগল স্টেডিয়া কিভাবে কাজ করে?

গুগল একটি প্রজেক্ট “গুগল স্টেডিয়া”, যেটার মূল লক্ষ্যই হলো যেকোন সময় যেকোনো টাইপের ডিভাইস ব্যবহার করে হাই গ্রাফিক্সের গেমিং এক্সপেরিয়েন্স উপভোগ করা।তার মানে হল, গুগল স্টেডিয়ার সাহায্যে আমাদের কাছে যদি প্রথমদিকের সেই কিটক্যাট বা ললিপপ ভার্সনের মোবাইলও থাকে বা ১ জিবি ২ জিবি র‍্যামের কম্পিউটারও থাকে তবুও বিভিন্ন হাই গ্রাফিক্সের গেম আমরা খেলতে পারব।

তবে সবথেকে বড় ব্যাপার হলো যে, গেমগুলো খেলার জন্য গেমগুলোকে আমাদের ডিভাইসে ডাউনলোড বা ইনস্টল করতে হবে না। কারন, আগেই বলেছি গুগল স্টেডিয়া ক্লাউড গেমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাই গেমগুলো গুগলের বিভিন্ন ক্লাউড ডেটা সেন্টারে রাখা থাকবে যেখানে খুব পাওয়ারফুল সার্ভারের মাধ্যমে গেমের সব প্রসেসিং হবে।

কিভাবে হাই কনফিগারেশনের গেম খেলবেন যেকোন মোবাইল/পিসিতে?

আমরা যেমন ইউটিউবে ব্রাউজারের মাধ্যমে বিভিন্ন সার্ভারে রাখা বিভিন্ন ভিডিও ও অডিও একসাথে যেকোন মোবাইল বা কম্পিউটারের স্ক্রিনে দেখতে পাই ঠিক তেমন গেমগুলোও গুগল স্টেডিয়ার বিভিন্ন সার্ভারে রাখা থাকবে আর প্লে করলেই গেমটি সার্ভারে প্লে হবে কিন্তু  ভিডিও ও অডিও আকারে আমরা ব্রাউজারে দেখতে পাবো। আর যখন আমরা কি-বোর্ড বা কন্ট্রোলার ব্যবহার করে গেমে বিভিন্ন কমান্ড দিবো, সেই তথ্যগুলো সরাসরি সার্ভারের হোস্টে চলে যাবে এবং সেখানে কমান্ডগুলোর প্রয়োজনীয় অ্যাকশন হবে। অ্যাকশন হবার পর যে পরিবর্তন গেমে আসবে সেটা আগের মতোই ব্রাউজারে আমরা দেখতে পাবো।

তাহলে দেখা গেল, গেমের স্টোরেজসহ সকল প্রসেসিং চলবে গুগলের পাওয়ারফুল সার্ভারে।এজন্যই বলা হয়েছে, কেবল ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আমরা যেকোন প্লাটফর্ম মোবাইল, ট্যাবলেট, টিভি, কম্পিউটার প্রভৃতি ডিভাইগুলোর লো কনফিগারেশনেও পৃথিবীর যেকোন গেম খেলতে পারব।

গেম কন্ট্রোলার

গুগল স্টেডিয়া নিজেদের একটা গেম কন্ট্রোলার তৈরী করেছে। আর এটা ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে ডাইরেক্ট গেমের সাথে কানেক্ট হবে। এটা এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যে এটা অটোমেটিকভাবে ডিভাইসের সাথে পেয়ার হয়ে যায় এবং অটোমেটিকভাবে ধরেও ফেলে আপনি কি ডিভাইস ব্যবহার করছেন যার ফলে আপনি গেমের একটা স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স লাভ করবেন। তবে আপনি এই কন্ট্রোলারটি ব্যবহার না করে আপনার ডিভাইসের কন্ট্রোলার ব্যবহার করেও গেম খেলতে পারবেন।

তাহলে কন্ট্রোলারটি গুগল স্টেডিয়া কেন তৈরী করলো ? তারা এটা তৈরী করেছে যাতে আপনি গেম খেলার সময় কোনো রকম ল্যাগ অনুভব না করেন অর্থাৎ গেমের ল্যাটেসি কমানোর জন্য এটা তৈরী করা হয়েছে। তবে ডিভাইসের কন্ট্রোলার ব্যবহার করলে যে গেমে ল্যাটেসি ভরপুর থাকবে এমন ভাবাটিও ঠিক হবে না। কারন গুগল নিজে প্রমিজ করেছে যে আপনি যে কন্ট্রোলারই ব্যবহার করেন না কেন, গেমে যেন কোনো ল্যাটেসি না থাকে সেটার জন্য তারা অনেকদিন ধরে কাজ করছে।

কিভাবে হাই কনফিগারেশনের গেম খেলবেন যেকোন মোবাইল/পিসিতে?

তাছাড়া স্টেডিয়া কন্ট্রোলারটিতে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্সকে অ্যাক্সেস করার বাটন রয়েছে। গুগল বলেছে, গেমে যদি কোনো জায়গায় আপনি ফেসে যান তাহলে সেখান থেকে কিভাবে বের হবেন সেটার সমাধান গুগল অ্যাসিস্ট্যান্স ইউটিউব ভিডিও প্লে করে সমাধান করে দিবে। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্সের মতো গেমকে ইউটিউবে স্ট্রিম করার জন্যও স্টেডিয়া কন্ট্রোলারে বাটন রয়েছে।

পারফরমেন্স

গেম খেলার জন্য সবার আগে দরকার ভাল পারফরমেন্স। গেমের পারফরমেন্স হাই রাখার জন্য গুগল স্টেডিয়া এএমডি(AMD) এর সাথে পার্টনারশিপ করেছে। অর্থাৎ গেমের জন্য এএমডি সিপিউ আর এএমডি জিপিউ ব্যবহৃত হবে। তবে এএমডি গুগল স্টেডিয়ার জন্য কাস্টম প্রসেসর তৈরী করেছে যেটা ২.৭ গিগাহার্জের x86 প্রসেসর।

কিভাবে হাই কনফিগারেশনের গেম খেলবেন যেকোন মোবাইল/পিসিতে?

আর গ্রাফিক্স কার্ড হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও এখনো গুগল বলেনি তবে গ্রাফিক্স কার্ডের পারফরমেন্স হবে ১০.৭ টেরাফ্লপস যেটা বর্তমানের লেটেস্ট  পিএস৪ প্ররো এবং এক্সবক্স ওয়ানের পারফরমেন্স একসাথে করলেও সমান হবে না। আর প্রত্যেক ইউজারকে র‍্যাম দেওয়া হবে ১৬ জিবি পর্যন্ত। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, গুগল স্টেডিয়া খুব হাই কোয়ালিটির হার্ডওয়্যার ব্যবহার করবে তাদের সার্ভারগুলোতে যাতে গেমের পারফরমেন্স সবসময় হাই থাকে। তাই গেমের পারফরমেন্স নিয়ে আমাদের কোনোই চিন্তা করতে হবে না।

কিভাবে হাই কনফিগারেশনের গেম খেলবেন যেকোন মোবাইল/পিসিতে?

কোয়ালিটি

কোয়ালিটির ক্ষেত্রে গুগল বলেছে, আমরা খুব সহজেই ১০৮০ সাথে ৬০ এফপিএস পেয়ে যাবো। আর  ৪কে স্ট্রিমিং করা যাবে সাথে এইচডিআর এবং ৬০এফপিএস। গুগল আরো বলেছে, আগামীতে ৮কে সাথে ১২০ এফপিএস পাওয়া যাবে। তাহলে নিঃশন্দেহে বলা যায় খুব হাই কোয়ালিটির গেমিং এক্সপিরেন্স আমরা পেতে যাচ্ছি।

সার্ভার

গুগল স্টেডিয়া যে সার্ভারগুলো ব্যবহার করছে সেগুলো লিনাক্স সার্ভার। অর্থাৎ স্টেডিয়ার অপারেটিং সিস্টেম হলো লিনাক্স। তাই স্টেডিয়াতে যে গেমগুলো থাকবে সেগুলো ভালকান এপিআই ব্যবহার করবে। এর ফলে স্টেডিয়াতে আমরা বর্তমানে সব গেম দেখতে পাবো না। কারন বর্তমানের বেশিরভাগ গেম উইন্ডোজ নির্ভর যেখানে গেমগুলোকে গেম ডেভেলোপাররা ডাইরেক্ট-এক্সকে মাথায় রেখে বানিয়েছে।

কিন্তু লিনাক্সে ডাইরেক্ট-এক্স সাপোর্ট করে না তাই যারা নিজেদের গেমকে স্টেডিয়াতে প্লে করাতে চায় তাদেরকে ভালকানকে মাথায় রেখে গেম বানাতে হবে। তবে গুগল ইতিমধ্যে “Unreal Engine” এর সাথে চুক্তি করেছে এবং তারা স্টেডিয়ার জন্য গেম বানাবে। বর্তমানে “Assassins Creed Odyssey” এবং “Doom Eternal” দুটি গেম স্টেডিয়াতে পাওয়া যাবে। তবে আগামী সময়ে আরও গেম স্টেডিয়াতে চলে আসবে। শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

ইন্টারনেট কানেকশন

গুগল স্টেডিয়া সম্পূর্ন ইন্টারনেট কানেকশনের উপর চলবে। তাই ইন্টারনেট কানেকশনের স্পিড খুব বেশি ম্যাটার করবে। তবে গুগল এখনো পর্যন্ত ইন্টারনেট কানেকশনের স্পিড কতো থাকতে হবে সে বিষয়ে কিছু বলেনি। তবে আমার যতদূর মনে হয়, যেহেতু প্রচুর পরিমান ডেটা আদান-প্রদান হবে তাই ৫জি স্পিড ছাড়া মোবাইলের ক্ষেত্রে গুগল স্টেডিয়ার সম্পূর্ন মজা পাওয়া যাবে না। আর ব্রডব্যান্ডের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ফাইবার ক্যাবল সংযুক্ত ৩-৪ এমবিপিস স্পিড দরকার পড়বে। এখন দেখা যাক, গুগল কি বলে?

সাবসক্রিপশন

গুগল স্টেডিয়া প্রজেক্টের জন্য গুগল ইতিমধ্যে সারাবিশ্বে ৭৫০০+ ডেটাসেন্টার ব্যবহার করছে। আর প্রত্যেকটি ডেটাসেন্টারে হাই কোয়ালিটির হার্ডওয়্যার ব্যবহার হবে। তাই অবশ্যই গুগল স্টেডিয়া ফ্রি হবে না। কিন্তু কি রকম পেমেন্ট সিস্টেম হবে সেটা গুগল এখনো বলেনি। তবে মনে হয়, মাসিক সাবসক্রিপশন থাকতে পারে অথবা ফ্রি এবং পেইড সাবসক্রিপশন থাকতে পারে। হয়ত ফ্রি সাবসক্রিপশন ইউটিউবের মতো অ্যাড দেখার সিস্টেম থাকবে এবং কিছু লিমিটেশন থাকবে যেগুলা পেইড সাবসক্রিপশনে পাওয়া যাবে।

গেমিং ইন্ডাস্ট্রি

গুগল স্টেডিয়া চালু হলে গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে একটা বিশাল পরিবর্তন হবে। গুগল স্টেডিয়া জনপ্রিয় হলে প্রথমেই সনি আর মাইক্রোসফটের গেমিং কনসোলের ব্যবসা নিশ্চিতভাবে ইন্ডাস্ট্রি থেকে চিরবিদায় নিবে। এরপর বিভিন্ন গ্রাফিক্স কোম্পানির ব্যবসাও মোটামোটি শিথিল হয়ে পড়বে। তবে গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে গুগল স্টেডিয়াই যে প্রথম ক্লাউড গেমিং নিয়ে এসেছে এমন কিন্তু না।

স্টেডিয়ার আগেই সনি বের করেছে তাদের প্লেস্টেশন নাউ(Playstation Now)। আবার মাইক্রোসফটও আগামীতে “প্রজেক্ট এক্সক্লাউড” বের করবে বলে অ্যানাউন্স করেছে যেখানে মাইক্রোসফট তাদের ডেটাসেন্টারগুলোতে এক্সবক্সের হার্ডওয়্যার ব্যবহার করবে এবং এটাও ক্রস প্লাটফর্ম হবে অর্থাৎ মোবাইল, ট্যাবলেট, টিভি, কম্পিউটার প্রভৃতি ডিভাইসগুলোতে গেম খেলা যাবে। আবার অ্যামাজনও ক্লাউড গেমিং নিয়ে কাজ করছে বলে জানা যায় যেটা সম্পর্কে আমরা পরে জানতে পারব।

বাংলাদেশে গুগল স্টেডিয়া

“গুগল স্টেডিয়া” প্রজেক্টি নিয়ে গুগল অনেকদির ধরেই কাজ করছে। আমরা অলরেডি জেনেছি যে, গুগল এ পর্যন্ত ৭৫০০+ ডেটাসেন্টারে স্টেডিয়ার জন্য কাজ শুরু করেছে যার মধ্যে ইন্ডিয়াতেও গুগলের ডেটা সেন্টার রয়েছে। তবে গুগল স্টেডিয়া এখনো চালু করা হয়নি। গুগল বলেছে ২০১৯ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপ মহাদেশে এটা ব্যবহার করা যাবে। তাহলে ধরা যায়, ২০২০ সালের শেষের দিকে বা ২০২১ সালে এটা বাংলাদেশে হয়ত ব্যবহার করা যেতে পারে।

কিভাবে হাই কনফিগারেশনের গেম খেলবেন যেকোন মোবাইল/পিসিতে?

বন্ধুরা আমরা আর্টিকেলের একদম শেষে চলে এসেছি। তবে শেষ করার আগে গুগল স্টেডিয়া ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা কি কি সুবিধা-অসুবিধা পেতে পারি সেগুলো একনজরে দেখে নেই।

সুবিধা

  • শুধুমাত্র ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই ব্রাউজারের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোন গেম আমরা অনেক কম কনফিগারেশনের ডিভাইসে খেলতে পারব।
  • ক্রস প্লাটফর্ম হওয়ায় আমরা একই গেম মোবাইল, ট্যাবলেট, টিভি, কম্পিউটার প্রভৃতি ডিভাইসে খেলতে পারব।
  • গেম খেলার জন্য কোনো ফাইল ডাউনলোড বা ইনস্টল করতে হবে না।
  • গেমে কোনো ল্যাটেসি থাকবে না।
  • আলাদাভাবে কোনো কন্ট্রোলার ব্যবহার করার দরকার পড়বে না।
  • স্টেডিয়া কন্ট্রোলার ব্যবহার করার মাধ্যমে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্স এবং ইউটিউবে গেম স্ট্রিমিং করার সুবিধা পাওয়া যাবে।

অসুুবিধা

  • উচ্চ গতির ইন্টারনেট দরকার পড়বে।
  • ইন্টারনেট স্পিড একটু কম হলে বা হঠাৎ করে ইন্টারনেট চলে গেলে গেমের পুরো সর্বনাশ হয়ে যাবে।
  • মাসিক সাপক্রিপশন বেশি হতে পারে।
  • সব গেম নাও পাওয়া যেতে পারে।

ভবিষ্যতে এই লিস্ট দুটি আরো বেড়ে বা কমে যেতে পারে। তবে যেটা হউক না কেন, গুগল স্টেডিয়া গেমিং প্লাটফর্মের অন্যরকম একটা ভবিষ্যৎ নিয়ে আসবে সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।


এখন আপনি বলুন তো, গুগল স্টেডিয়া যদি বাংলাদেশে চালু হয় তাহলে আপনি কি এটা ব্যবহার করবেন নাকি করবেন না সেটা এখনি আমাদেরকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন সাথে আমাদের আর্টিকেলটি কেমন লেগেছে সেটাও জানিয়ে দিন।

আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিন এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেল ‘TechJahaj‘ কে সাবস্ক্রাইব করুন। টেকজাহাজের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Image Credit: Google Images